সফলতার গল্প

এ জেড এম জাহিদ হোসেন হলেন একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ এবং চিকিৎসক। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য। ইতিপূর্বে তিনি দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।তিনি খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকও। এর আগে তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন ও ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

ব্যক্তিগত জীবন
অধ্যাপক ডাঃ এ.জেড.এম জাহিদ হোসেন ( আবু জাফর মোহাম্মাদ জাহিদ হোসেন) ১৯৬০ সালের ২৫ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের গফরগাঁও এ জন্ম গ্রহণ করেন। তার পৈত্রিক নিবাস দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার পুটিমারা ইউনিয়নের মতিহারা গ্রামে। পিতা মরহুম মোঃ জাফর আলী সরকার ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী। তিনি বিভিন্ন স্কুল এবং কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিষ্ঠাকালীন প্রদান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তার মাতা বেগম জেবুন নেসাও একজন শিক্ষিকা ছিলেন।

 

শিক্ষাজীবন
তিনি গফরগাঁও এবং ময়মনসিংহ থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পূর্ণ করেন। এরপর তিনি ১৯৮৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রী অর্জন করেন। ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ কলেজ অফ পিজিশিয়ানস্ এন্ড সার্জনস্ হতে এফসিপিএস ডিগ্রি, ২০০১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ইউরোলজিতে এমএস ডিগ্রী, ২০০৪ সালে কলেজ অফ ফিজিমিয়ানস্ এন্ড সার্জনস্, পাকিস্থান হতে এফসিপিএস এবং ২০০৬ সালে রয়্যাল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস্, এডিনবার্গ, যুক্তরাজ্য হতে এফআরসিপি ফেলোশিপ অর্জন করেন।

 

রাজনৈতিক জীবন
তিনি ১৯৭৯ সালে ছাত্র রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ করেন এবং ময়ূখ সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর সদস্য হিসাবে তার জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে অংশগ্রহণের পর সরকারি চাকুরিতে যোগদানের কারণে সরাসরি রাজনীতিতে জড়িত না থেকে তিনি পেশাগত রাজনীতিতে আত্মনিয়োগ করেন।

তিনি ১৯৮৯ সাল হতে ডক্টর এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ড্যাব) এর সাথে জড়িত এবং ১৯৯৮ সাল হতে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে ৪ বার মহাসচিব ছিলেন। এছাড়াও তিনি ২০০৫ সাল হতে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ-বিএসপিপি’র সদস্য সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০২২ সাল হতে উক্ত পরিষদের আহ্বায়ক -এর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০১০ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি’র মাননীয় চেয়ারপার্সন এর উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ২০১৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কাউন্সিলের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০২৪ সালের ১৬ আগস্ট তাকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হয়।রাজনৈতিক কারণে বিগত ১৮ বছরে অর্ধশত মামলা দায়ের করা হয় তার নামে এবং তিনি ৩ বার রাজনৈতিক কারণে কারাবরণ করেন । ১ম বার ০৯ মে ২০০৯ হতে ০৯ ডিসেম্বর ২০০৯ পর্যন্ত, ২য় বার ২০১১ সালে এবং ৩য়বার ১১মার্চ ২০১৩ হতে ০৭ জুন ২০১৩ পর্যন্ত কারাবরণ করেন ।

ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ, এমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারি), এমএস (ইউরোলজি), এফসিপিএস (ইউরোলজি), এফআরসিপি (এডিন), ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ, ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল

যোগাযোগ

পি-৭, নূরজাহান রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭, বাংলাদেশ